Election Commission

চুঁচুড়ার জেনারেল অবজার্ভারকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন! রাজেশ শর্মাকে দেওয়া হল দায়িত্ব

শুধু পদ থেকে অপসারণই নয়, সি.পলরাসুকে দ্রুত পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে চুঁচুড়া কেন্দ্রের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাবেন পার্শ্ববর্তী বিধানসভার জেনারেল অবজারভার রাজেশ কুমার শর্মা।

AP: আরও এক জেনারেল অবজার্ভারকে সরিয়ে দিল কমিশন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চুঁচুড়া
  • শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০২

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না, এই বার্তাই ফের একবার স্পষ্ট করে দিল নির্বাচন কমিশন। এ বার হুগলির চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের জেনারেল অবজারভার সি.পলরাসুকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রের খবর, তাঁর কাজকর্মে অসন্তুষ্ট ছিল কমিশন। তবে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

সি.পলরাসু হিমাচল প্রদেশ ক‍্যাডারের আইএএস অফিসার। তাঁকে চুঁচুড়া বিধানসভার জেনারেল অবজার্ভার করে নির্বাচন কমিশন পাঠিয়েছিল। জানা গিয়েছে, সি.পলরাসুকে শুধু পদ থেকে অপসারণই নয়, সি.পলরাসুকে দ্রুত পশ্চিমবঙ্গ ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে চুঁচুড়া কেন্দ্রের অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাবেন জেনারেল অবজারভার রাজেশকুমার শর্মা। তিনি ঝাড়খণ্ড ক‍্যাডারের আইএএস অফিসার। তিনি বর্তমানে সপ্তগ্রাম বিধানসভার জেনারেল অবজার্ভার হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এ বার থেকে তিনি চুঁচুড়া বিধানসভার জেনারেল অবজার্ভারের দায়িত্ব সামলাবেন।

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই কাজে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি নির্বাচনে পর্যবেক্ষক অপসারণের ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের জেনারেল অবজারভারকেও সরানো হয়েছিল। সেই সময় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের প্রশ্নের জবাবে নিজের এলাকার বুথের সংখ্যা বলতে না পারায় শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল ওই আইএএস অফিসারকে। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হল চুঁচুড়া বিধানসভা।

কমিশন সূত্রে খবর, জেনারেল অবজারভারদের কাজকর্মের ওপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও নির্বাচনী বিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে তাঁদের সক্রিয়তা অত্যন্ত জরুরি। চুঁচুড়ার ক্ষেত্রেও দায়িত্ব পালনে কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত রাজেশকুমার শর্মার হাতেই চুঁচুড়া বিধানসভার নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


Share