Election Commission

ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত! মগরাহাট-ডায়মন্ড হারবারে একাধিক বুথে ২ মে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কয়েকটি বুথে আগামী ২ মে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রের পুননির্বাচনের নির্দেশ দিল কমিশন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ০৭:১৮

রাজ্যের একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কয়েকটি বুথে আগামী ২ মে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে।

কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিলের ভোটে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ১৪২ নম্বর মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা আসনের উত্তর ইয়ারপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, নজরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেউলা প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোলা নয়াপাড়া গার্লস হাই মাদ্রাসা, একতারা মালয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, একতারা মালয়া ধোড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহিরপুয়া কুরকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় এই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে।

একই ভাবে, ১৪৩ নম্বর ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রে বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল, চাঁদা প্রাথমিক বিদ্যালয়, হারিদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রয়নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়েও পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় দফার ভোটে একাধিক বুথে ইভিএম বিকৃতির অভিযোগ সামনে আসে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এবং বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর সংশ্লিষ্ট বুথগুলিতে স্ক্রুটিনির নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ডায়মন্ড হারবার, ফলতা ও মগরাহাট এলাকায় পরিদর্শন করেন সুব্রত গুপ্ত।

অভিযোগ ওঠে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৭টি বুথে কোথাও ইভিএমে সেলোটেপ, কোথাও ব্ল্যাকটেপ, আবার কোথাও আতর লাগানো হয়েছে। এর মধ্যে ফলতায় ৩২টি, ডায়মন্ড হারবারে ২৯টি, মগরাহাটে ১৩টি এবং বজবজে তিনটি বুথে ইভিএম বিকৃতির অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ ছাড়াও, কিছু বুথে ভোটারদের মোবাইল নিয়ে ঢোকা এবং ভোট চলাকালীন ছবি ও রিলস ভিডিও তৈরির অভিযোগও সামনে আসে। এই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই কমিশন পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সূত্রের খবর, ডায়মন্ড হারবারে ৪টি, মগরাহাট পশ্চিমে ৮-১০টি এবং ফলতায় ২০-২২টি বুথ মিলিয়ে মোট ৩২-৩৬টি বুথে রিপোলের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। শুক্রবার সকালেই সেই রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা পড়ে বলে জানা গিয়েছে।


Share