Land Grab Case

জমি দখল করে বেআইনি আর্থিক লেনদেন মামলায় মার্লিন গ্রুপের অফিস-সহ পাঁচটি ঠিকানায় চলছে ইডির তল্লাশি, রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা

অভিযোগ, বেশ কয়েকটি জমির কাগজপত্র নকল করা হয়েছে। সেখানে প্রকল্প তৈরীর নাম করে বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে প্রকল্প হয়নি বলে অভিযোগ। ইডি আধিকারিকদের আরও অনুমান, বেআইনি ভাবে জমি বিক্রির টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।

জমি দখল মামলায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৫

জমি দখল করে আর্থিক তছরুপ মামলায় শহরের পাঁচ জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান। কিছু দিন আগেই মার্লিন গ্রুপের কর্ণধার সুশীল মোহতা এবং তাঁর পুত্র সাকেত মোহতার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। শুক্রবার সকাল থেকে তাঁর দফতরেও আবার তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে পাঁচটি ঠিকানায় ইডির আধিকারিকেরা পৌঁছে গিয়েছেন। কলকাতার মিডিলটন স্ট্রিটের মার্লিন গ্রুপের অফিসে তল্লাশি চলছে। দক্ষিণ কলকাতার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে।

অন‍্য দিকে, সল্টলেকের দু’টি ঠিকানায় ইডি আধিকারিকেরা তল্লাশি অভিযান চলছে। জমি দখল করে বেআইনি আর্থিক লেনদেন মামলাতেই তল্লাশি অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, সেখানকার সিএফ এবং সিকে ব্লকের নির্মাণকারী সংস্থার ‘ডিসি পাল’-এর দুটি অফিসে ইডির আধিকারিকেরা তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন।

ইডি সূত্রের খবর, বেশ কয়েকটি জমির কাগজপত্র নকল করা হয়েছে। সেখানে প্রকল্প তৈরীর নাম করে বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে প্রকল্প হয়নি বলে অভিযোগ। ইডি আধিকারিকদের আরও অনুমান, বেআইনি ভাবে জমি বিক্রির টাকা বিভিন্ন প্রভাবশালীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। এমনকী, হাওয়ালার মাধ‍্যমে বিদেশে পাচার হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের আগে বেআইনি আর্থিক লেনদেন রুখতেও এই অভিযান বলে মনে করেছেন কেউ কেউ।

কিছু দিন আগে, জমি দখল করে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলায় কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারেকে দু’বার তলব করে। তিনি দু’বারই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়ে আসেন। তিনি এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে অনুমান ইডির।

পরে এই মামলায় কসবার তৃণমূল কর্মী সোনাপাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের বালিগঞ্জের বাড়িতে অভিযান চালায়। তাঁর বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই দিনই আরেক নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক জয় কামদারের কাছ থেকে এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই মামলায় গত সোমবার কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার গৌরব লালকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে ইডি। কিন্তু তিনি যাননি। সোনাপাপ্পুকেও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি।


Share