Election Commission

একের পর এক বদলি! রাজ্যের আরও ছয় আইএএসকে ভিন্‌রাজ্যে পাঠাল কমিশন, বাড়ছে প্রশাসনিক চাপ

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ ব্যাচের প্রীতি গোয়েল, ২০১৪ ব্যাচের সিয়াদ এন, ২০১০ ব্যাচের অরবিন্দকুমার মিনা, ২০০৯ ব্যাচের রানি এ আয়েশা, ২০০৬ ব্যাচের পি উলাগানাথন এবং ২০১৩ ব্যাচের শামা পরভিনকে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় ভোট পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
পি উলাগানাথন
  • শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১০:১২

পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও ছ’জন আইএএস আধিকারিককে নির্বাচনী দায়িত্বে অন্য রাজ্যে পাঠাল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তাঁদের তামিলনাড়ুর নির্দিষ্ট জেলায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। এই ছ’জনের মধ্যে রাজ্য সরকারের দুই সচিবও রয়েছেন।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ ব্যাচের প্রীতি গোয়েল, ২০১৪ ব্যাচের সিয়াদ এন, ২০১০ ব্যাচের অরবিন্দকুমার মিনা, ২০০৯ ব্যাচের রানি এ আয়েশা, ২০০৬ ব্যাচের পি উলাগানাথন এবং ২০১৩ ব্যাচের শামা পরভিনকে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় ভোট পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উলাগানাথন বর্তমানে পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের সচিব। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগের অধীন পশ্চিমবঙ্গ ইলেক্ট্রনিক্স টেস্টিং অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস সংক্রান্ত দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শামা পরভিন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের সচিব। পাশাপাশি, জিটিএর প্রিন্সিপ্যাল সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছে তাঁর কাঁধে। প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারির দায়িত্বেও রয়েছেন।

এর আগে বুধবার রাজ্যের আরও দুই সচিব প্রিয়ঙ্কা শিঙ্গলা এবং পি মোহনগান্ধীকে অন্য রাজ্যে ভোটের কাজে পাঠানো হয়। প্রিয়ঙ্কা বিপর্যয় মোকাবিলা ও অসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের সিনিয়র বিশেষ সচিব, আর মোহনগান্ধী শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্বে আছেন। মঙ্গলবার পূর্ত দফতরের সচিব অন্তরা আচার্য এবং খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দফতরের প্রধান সচিব পারভেজ আহমেদ সিদ্দিকি-কেও অন্য রাজ্যে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ আসে। তার আগে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনা-কেও নির্বাচনী দায়িত্বে বাইরে পাঠানো হয়েছিল। একই সঙ্গে বুধবার রাতে ১৫ জন আইপিএস অফিসারকে তামিলনাড়ু এবং কেরলে পাঠানোর নির্দেশ দেয় কমিশন। পরে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে সেই নির্দেশ আপাতত স্থগিত রাখা হলেও বাকি ১০ জনের বদলির সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।

কমিশনের এই ধারাবাহিক পদক্ষেপ নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসন্তোষ জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-কে চিঠি দিয়েছেন। সেখানে তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একের পর এক বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে এ ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছ থেকে তিন জনের প্যানেল চেয়ে কমিশন একজনকে বেছে নিত, কিন্তু এ বার সেই প্রচলিত প্রক্রিয়া মানা হয়নি।


Share