Assembly Election

স্ট্রংরুমে কড়া নিরাপত্তা, ২৪ ঘন্টা নিশ্ছিন্দ্র নজরাদারিতে থাকবেন কমিশনের আধিকারিকেরা

নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের মনোনীত প্রতিনিধি। এতদিন এই দায়িত্বে থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের নিযুক্ত আধিকারিকরা।

শাখাওয়াত স্কুলের সামনে পাহারায় কেন্দ্রীয় বাহিনী
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ০২:০২

আরোও জোরদার করা হচ্ছে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা। এ বার থেকে স্ট্রং রুমের সামনে ২৪ ঘণ্টা উপস্থিত থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা। নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের মনোনীত প্রতিনিধি। এতদিন এই দায়িত্বে থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের নিযুক্ত আধিকারিকরা।

জানা গিয়েছে, স্ট্রং রুমে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধি চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেউ ঢুকতে পারবেন না। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরোও বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি, স্ট্রং রুম এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। এই তিনটি পদক্ষেপেই নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘণ্টা শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রং রুমে অবস্থান করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "এখানে আমার কেন্দ্রের ইভিএম রয়েছে। নেতাজি ইন্ডোর-সহ অনেক জায়গায় ইভিএম নিয়ে কারচুপির ফুটেজ সামনে এসেছে। বাইরের লোক এসে পোস্টাল ব্যালট এদিক ওদিক করছে, কারচুপি হচ্ছিল দেখেই ছুটে এসেছি।"

এদিকে, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধি’র অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের দুই প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টরা। সেই খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিজেপির দুই প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠকও। 'জয় বাংলা' ও 'জয় শ্রী রাম' স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে উঠে এলাকা। এরপরেই এদিন সকাল থেকে শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস হাই স্কুলেও কড়া নজরদারির ছবি দেখা যায়। কোনও কারচুপির অভিযোগ যাতে না আসে, তা নিশ্চিত করতে নিশ্চিদ্র পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। 


Share