NIT Durgapur

এনআইটি দুর্গাপুরে সহকারী রেজিস্ট্রার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে লিখিত পরীক্ষা

আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ২৫ আগস্ট প্রাথমিক ভাবে যোগ্য ৭৮৮ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ন'টা থেকে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

দুর্গাপুর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ইফ টেকনোলজি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুর
  • শেষ আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৪৬

দুর্গাপুরের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এনআইটি), এক আবেদনকারী সহকারী রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তুললেন। এ বিষয়ে তিনি এনআইটির ডিরেক্টরকে ইমেল করে অভিযোগ জানিয়েছেন। যদিও এনআইটি কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছে।

এনআইটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর সহকারী রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ২৫ আগস্ট প্রাথমিক ভাবে যোগ্য ৭৮৮ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। এরপর ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ন'টা থেকে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রকাশিত যোগ্য প্রার্থীদের তালিকায় দু’জনের রোল নম্বর ছিল না। কিন্তু ওই দু’জনকেই পরবর্তী সময়ে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। লিখিত পরীক্ষার যোগ্য প্রার্থীদের তালিকায় নাম বা রোল নম্বর না থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে তাঁরা ইন্টারভিউয়ের সুযোগ পেলেন, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, ২৯ আগস্ট অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে ওই দু’জনের মধ্যে এক জনের রোল নম্বর ছিল বলে অভিযোগ। অন্য জনের রোল নম্বর সেই তালিকাতেও ছিল না।

শুধু প্রার্থী বাছাই নয়, লিখিত পরীক্ষা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারী। তাঁর অভিযোগ, পরীক্ষা সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা শুরু হয় সকাল ১০টা ১৯ মিনিটে। পরীক্ষার্থীদের কোনও অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ। এমনকি ইনভিজিলেটরের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাঁর।

অভিযোগকারীর আরও দাবি, পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রের কোনও কপি দেওয়া হয়নি। ফলে তাঁরা পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন, তার প্রমাণ হিসেবে দেখানোর মতো কোনও নথি তাঁদের হাতে ছিল না। লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর এবং কাট-অফ নম্বর প্রকাশ না করায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অভিযোগপত্রে ওই লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন আবেদনকারী। পাশাপাশি, পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত নথি সংরক্ষণ করে নিরপেক্ষ তদন্তেরও আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এনআইটি দুর্গাপুরের ডিরেক্টর অরবিন্দ চৌবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বৃহস্পতিবার তিনি ফোন ধরেননি। এনআইটির মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রীকৃষ্ণ রাই বলেন, ‘‘এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’’


Share